1. admin@dailydigantor.com : admin :
তালতলীতে মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে চাকরীর প্রলোভনে ৯ লাখ টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ – দৈনিক দিগন্তর
রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন
রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন

তালতলীতে মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে চাকরীর প্রলোভনে ৯ লাখ টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ

দৈনিক দিগন্তর ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৩

 

আবুল হাসানঃ মাদ্রাসায় ল্যাব সহকারী পদে চাকরীর প্রলোভন দেখিয়ে ৯ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে কড়াইবাড়ীয়া এতিম মঞ্জিল বালিকা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. মাহবুব আলম ওরফে নাসির উদ্দীনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ১০ ডিসেম্বর মো. শাহজালাল হাওলাদার উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগে জানা যায়, ছেলের চাকরির জন্য ১০ শতাংশ জমি বিক্রি করে ২০২২ সালের ১২ অক্টোবর কড়াইবাড়ীয়া এতিম মঞ্জিল বালিকা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. মাহবুব আলমকে ৯ লক্ষ টাকা দেন ভুক্তভোগী শাহজালাল হাওলাদার। মাদ্রাসা সুপার দ্রুত চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিলেও চাকরি দিতে না পারায় ১৪ মাস পর ৪ লাখ টাকা ফেরত দেন। বাকি ৫ লাখ টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে বার বার তারিখ দিলেও সেই টাকা ফেরত দেন নাই।

এ ঘটনার একটি ভিডিও পাওয়া যায়। ওই ভিডিওতে দেখা যায় ৯ লক্ষ টাকা মাদ্রাসা সুপারের হাতে দিয়েছেন ভুক্তভোগী শাহজালাল হাওলাদার। পরে ওই মাদ্রাসা সুপার প্লাস্টিকের একটি ব্যাগে টাকা গুলো গুনে রেখে দিচ্ছেন। এ সময় তালতলী সালেহীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী ছগির উপস্থিত ছিলেন ও টাকা গুনে দেন।

ভুক্তভোগী শাহজালাল হাওলাদার বলেন, বাড়ির জমি বিক্রি করে ছেলের চাকরির জন্য ৯ লক্ষ টাকা দিলে মাদ্রাসা সুপার মাহবুব আলম খুব দ্রুত চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিলেও ১৪ মাস পর্যন্ত তিনি কোন যোগাযোগ করেনি। পরে ৪ লাখ টাকা ফেরত দিয়েছেন। বাকি পাঁচ লাখ টাকা ফেরত না দিয়ে তিনি গা ঢাকা দিয়েছেন। তবে চাকরির নামে এমন অভিনব প্রতারণার কঠিনতম শাস্তির দাবিও জানান তিনি।

তবে মাদ্রাসা সুপারের টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে মো. ছগির বলেন, চাকরি দেওয়ায় ব্যর্থ হয়ে ৪ লাখ টাকা ফেরত দিয়েছে বাকি টাকা দেওয়ার কথা শুনেছি। তবে ফেরত দিয়েছে কিনা আমি জানিনা।

মাদ্রাসার সুপার মো. মাহবুব আলম টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, টাকার ব্যবস্থা করিতেছি কিছু দিনের মধ্যে টাকা হয়ে গেলেই সব টাকা ফেরত দিয়ে দেব।

কড়াইবাড়ীয়া এতিম মঞ্জিল বালিকা দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. মারুফ বলেন, চাকরি দেওয়ার নামে মাদ্রাসা সুপার মোটা অংকের টাকা নিয়েছেন তবে চাকরি দেওয়ার ব্যর্থ হয়ে ৪ লাখ টাকা ফেরত দিয়েছে। দীর্ঘদিন হয়ে গেলেও বাকি টাকা দিচ্ছেন না ও চাকরিও দিচ্ছেন না।

তালতলী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লিটু চট্রপাধ্যায় বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

Facebook Comments Box
সংবাদটি শেয়ার করুন :
এ জাতীয় আরও সংবাদ

ফেসবুকে আমরা