1. admin@dailydigantor.com : admin :
ভেড়ামারায় অনুষ্ঠিত হলো গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ‘ঝাপান’ খেলা – দৈনিক দিগন্তর
মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন
মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
খুলনার ডুমুরিয়ায় লুন্ঠিত মালামালসহ ৬ ডাকাত গ্রেফতার কুষ্টিয়ায় বিদ্যালয়ের তালা খোলে শিক্ষার্থীরা ; শিক্ষক আসেন ১০টার পর সহকারী জজ হলেন ইবির ৭ শিক্ষার্থী নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে ; আল্লামা ইসমাঈল নূরপুরী ঢাকার দুই জায়গায় আজ সমাবেশ করবে বিএনপি রাজধানীর লালবাগে মিষ্টির দোকানে আগুন পাবনায় গোয়েন্দা শাখার পৃথক দুইটি অভিযানে দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার যাত্রাবাড়ীতে গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ হারালো যুবক খুলনায় চাঞ্চল্যকর শামীমা হত্যা মামলার আরো ২ আসামী গ্রেফতার যশোর থেকে কুখ্যাত মাদক, চোরাকারবারি ও অস্ত্র ব্যবসায়ী নাসির অস্ত্র সহ গ্রেফতার

ভেড়ামারায় অনুষ্ঠিত হলো গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ‘ঝাপান’ খেলা

দৈনিক দিগন্তর ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৩

 

 

ভেড়ামারা ( কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি।।গ্রাম বাংলায় এখনো প্রাচীন ঐতিহ্য ধরে রাখতে সাপ খেলার আয়োজন হয়ে থাকে, যাঁকে ঝাঁপান খেলা বলে। বিষাক্ত গোখরা সাপ মঞ্চে ছেড়ে দিয়ে উঁচু করে ফণা তোলানোর জন্য সামনে বীণের তালে নাচানাচি করেন সাপুড়ে।

আর মনের মধ্যে ভয় আর আতঙ্ক নিয়ে বিষধর সাপ খেলা দেখতে দর্শনার্থীরাও হয়ে থাকেন বুধ। এমনি ভাদ্রের বৃষ্টিবিঘ্নীত দিনে বীণ আর বাদ্যের তালে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার প্রত্যন্ত গ্রামে অনুষ্ঠিত হলো সাপের খেলা বা ঝাঁপান খেলা। ভেড়ামারা উপজেলার পরানখালী গ্রামে শুক্রবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হলো ঝাঁপান খেলা বা সাপ খেলা প্রতিযোগিতা।
মনজেল হোসেন নামে স্থানীয় এক সাপুড়ে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন। আর এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে আশপাশের জেলা থেকে মাটির পাত্র ও কাঠের বাক্সে করে সাপ নিয়ে আসেন ১২টি সাপুড়ে দল। মঞ্চের ওপরে সাপ ছেড়ে দিতেই দর্শকরা আনন্দে আতঙ্কে হয়ে পড়েন উদ্বেলিত।
একেকটি বিষধর গোখরা সাপ মঞ্চে নেমেই এদিক ওদিক চেয়ে ফণা তুলে দাঁড়ায়। ফণা আরো উঁচু করতে তার সামনে নানান ভঙ্গিতে নাচা-গান করেন সাপুড়েরা। কারণ যার সাপের ফণা যতো উঁচু হবে তিনিই হবেন বিজয়ী। তবে, এখানে জয়-পরাজয় মুখ্য ছিল না, সাপের খেলা দেখতে পেরেই খুশি উপস্থিত দর্শকসহ সকলে।
আর মানুষকে নির্মল আনন্দ ও বিনোদন দিতে পেরে খুশি সাপুড়েরাও খুশি বলে জানিয়েছেন তারা। গ্রাম বাংলার প্রাচীন এতিহ্য ধরে রাখতে প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও সাপের খেলা বা ঝাপান খেলার আয়োজন করেন স্থানীয় সাপুড়ে মনজেল হোসেন।
আগামীতেও তিনি এ খেলা চালিয়ে যেতে চান বলে গণমাধ্যক কর্মীদের জানান তিনি। তবে পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম বা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ঝাঁপান খেলা টিকিয়ে রাখা দরকার বলে মনে করেন এলাকার সচেতন নাগরিক প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম। তিনি বলেন, গ্রাম বাংলা প্রাচীন ঐতিহ্য নতুন প্রজন্ম বা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন পৃষ্ঠপোষকতার।
বৃষ্টির কারণে সাপের খেলায় কিছুটা বিঘ্ন ঘটলেও তা উপেক্ষা করেই চলে ঝাঁপান খেলা। আর বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী দর্শকরা তা উপভোগ করে নীরবতায়। ঝাপান খেলা বা সাপ খেলা একটি গ্রামীণ ঐতিহ্যের অংশ, যা একসময় গ্রাম বাংলায় বিভিন্ন দিবস বা ঘরোয়া আয়োজনে দেখানো হতো।
 কিন্তু প্রযুক্তি আর আধুনিকতার ছোঁয়ায় দিন দিন এসব খেলা হারিয়ে যাচ্ছে। তাই এই হারিয়ে যাওয়া এতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন এমন আয়োাজনের।
Facebook Comments Box
সংবাদটি শেয়ার করুন :
এ জাতীয় আরও সংবাদ

ফেসবুকে আমরা