1. admin@dailydigantor.com : admin :
আক্কেলপুরে আমন ধানের বাম্পার ফলন – দৈনিক দিগন্তর
শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১০:৪২ অপরাহ্ন
শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১০:৪২ অপরাহ্ন

আক্কেলপুরে আমন ধানের বাম্পার ফলন

দৈনিক দিগন্তর ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৩

 

আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি।।জয়পুরহাটরের আক্কেলপুরে শুরু হয়েছে রোপা আমন ধান পুরোদমে কাটা-মাড়াই। ধান কাটা নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটছে কৃষক ও দিনমজুরদেরও। কৃষকের ঘরে গোলা ভরতে শুরু করেছে ধানে। পৌরসভা সহ, উপজেলার রুকিন্দীপুর, গোপীনাথপুর, সোনামুখী, তিলকপুর,রায়কালী ৫টি ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, এ বছর তেমন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হওয়ায় ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে। ধানের বাজারদর ভালো থাকায় এ বছর লাভবান হবেন বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।

 

কৃষকের বাড়িতে নতুন ধানের মৌ মৌ গন্ধ ছড়াচ্ছে। নতুন ধান কেটে মাড়াই করে খড়ের দামও পাচ্ছেন তারা। আগাম জাতের ধান কেটে ওই জমিতে আলু, সরিষা, গমসহ শীতকালীন সবজি আবাদও করা হচ্ছে।

 

আমন ধান রোপণের পর থেকে শস্য না কাটা পর্যন্ত কৃষি শ্রমিকদের হাতে কোন কাজ থাকতো না। বর্তমানে কৃষি শ্রমিকেরা ভুট্টা, আলু, সরিষা ও গমসহ বিভিন্ন জমিতে কাজ করে সংসার চালাচ্ছেন।

আক্কেলপুর উপজেলা কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে আমন ধানের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১০ হাজার ৬শ১০হেক্টর। অর্জিত হয়েছে ১০হাজার ৬শ৪০হেক্টর। প্রকারভেদে প্রতি মণ ধান বিক্রি হয়েছে ১১শ থেকে ১২শ টাকা পর্যন্ত।

আক্কেরপুর পৌর সভার মানিকপাড়া গ্রামের মোঃ রেজাউল করিম জানান, তিনি এবার আমন মৌসুমে স্বর্ণ পাঁচ জাতের আগাম ধান আড়াই বিঘা জমিতে আবাদ করে বেশ লাভবান হয়েছেন। প্রতি মন ধান সর্বোচ্চ ১১শ ৫০টাকা পর্যন্ত বিক্রি করেছেন। আগাম জাতের ধান কাটার পর সেই জমিতে সরিষা চাষের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তিনি বলেন আমি আরো ২ বিঘা জমি খায়খালাসি (পত্তনি) নিয়েছি যার বিঘা প্রতি ২২বাজার টাকা করে বছরে দিতে হয়।

আক্কেরপুর উপজেলার রোয়াইর গ্রামের কৃষক মো আমিনুর হোসেন বলেন, এবার আমন মৌসুমে বিভিন্ন জাতের আগাম ধান ৫বিঘা জমিতে আবাদ করে বেশ লাভবান হয়েছি। বিঘা প্রতি দিনমজুরদের ধান কাটতে দিতে হচ্ছে ৪ হাজার টাকা, পানি সেচ ১হাজার টাকা দিতে হয়েছে সার, বীজসহ প্রায় এক বিঘা জমিতে খরচ হচ্ছে ৮ থেকে ৯ হাজার টাকা পর্যন্ত। প্রতি বিঘায় ধান হচ্ছে ১৬ থেকে ১৮মন তা বাজারে ১১শ থেকে ১১শ ৫০টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

আক্কেলপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ ইমরান হোসেন জানান, উপজেলায় আগাম জাতের রোপা আমন, ব্রি ধান-৩৪,৭৫,৮৭,৯০, বিনা ধান-১৭, স্বর্ণ পাঁচ, রনজিত, ধানি গোল্ড, চিনি আতব এবং হাইব্রিড জাতের কিছু ধান ইতোমধ্যে কাটা-মাড়াই শুরু হয়েছে। কৃষকদের চাহিদা মতো সার সরবরাহ পাওয়ায় ধানে রোগ বালাই কম হয়েছে এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধানের বাম্পার ফলন হওয়ায় প্রতি হেক্টর জমিতে ৫টন করে ধান কৃষকদের ঘরে উঠেছে।।

Facebook Comments Box
সংবাদটি শেয়ার করুন :
এ জাতীয় আরও সংবাদ

ফেসবুকে আমরা